ত্বকে কোলাজেন বুস্ট করার ন্যাচারাল উপায়

portrait-beautiful-young-asian-woman-clean-fresh-bare-skin-concept-asian-girl-beauty-face-skincare-health-wellness-facial-treatment-perfect-skin-natural-make-up-two_65293-1968

ত্বকে কোলাজেন বুস্ট করার ন্যাচারাল উপায়

ত্বকে কোলাজেন বুস্ট হলে এজিং কমে যায়। প্রিম্যাচিউর এজিং কারোরই কাম্য নয়। তারপরও বেশ কিছু কারনে স্কিনের কোলাজেন প্রোডাকশন কমে যেতে থাকে, স্কিন সেলস ড্যামেজড হতে পারে। এতে যা হয় সেটা হলো স্কিনে রিংকেলস, ফাইন লাইনস দেখা দেয়, চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল পড়ে। এগুলো মূলত স্কিন এজিং এর ছাপ হিসেবে ধরা হয়। তাই  কোলাজেন কে বলা হয় structural protein যা আমাদের শরীরে ন্যাচারালি প্রডিউস হয়। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে কোলাজেন প্রোডাকশন কমতে থাকে। তখন স্কিন ইলাস্টিসিটি ন্যাচারালি ইমপ্রুভ হতে পারেনা।

আমাদের শরীর ন্যাচারালি অ্যামিনো এসিড কে প্রোটিনে পরিণত করতে পারে। তবে বয়স যত বাড়ে তত এই প্রোডাকশন প্রসেস কমে যেতে থাকে। আমাদের কারোরই স্কিন সবসময় একরকম থাকবেনা। তারপর ও কিছু উপায় অবশ্যই আছে যা স্কিন এজিং স্লো করতে হেল্প করে।

স্কিনে যখন কোলাজেন প্রোডাকশন ঠিকঠাক থাকে তখন স্কিন স্মুথ, সফট ও ন্যাচারালি ময়শ্চারাইজড থাকে। কিছু স্কিনকেয়ার ইনগ্রেডিয়েন্ট যেমন

Hyaluronic Acid

Hyaluronic Acid স্কিনকে ময়শ্চারাইজড রাখতে হেল্প করে। যেসব খাবারে প্রচুর পরিমানে অ্যামিনো এসিড থাকে যেমন, বিভিন্ন ধরনের Beans, egg whites, bone broths এসব ডায়েট চার্টে রাখা যায়। আবার Hyaluronic Acid স্কিনকেয়ার ইনগ্রেডিয়েন্ট হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে অনেকে এটা সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ইনটেক করে থাকে।

Vitamin C

শরীরে যেহেতু ভিটামিন সি ন্যাচারালি প্রডিউস হয়না সেহেতু বাইরের বিভিন্ন সোর্স থেকে এটি নেয়া হয়। ফলের মধ্যে strawberries, Raspberries, blueberries,blackberries এগুলোতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। এরপর আছে orange, tomato আবার বিভিন্ন tropical fruits যেমন guava, mango, kiwi, pineapple কোলাজেন প্রোডাকশনে দারুন হেল্প করে।

Leafy Vegetables

সব ধরনের সবুজ বা রঙ্গিন শাকসবজিতেই প্রচুর অ্যান্টি অক্সিড্যান্টস থাকে। কারন হিসেবে বলা যায় এদের পাতায় থাকা ক্লোরোফিল যা অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট প্রপার্টি হিসেবে কাজ করে। তাই প্রতিদিনের ডায়েট চার্টে ভেজিটেবল রাখা উচিৎ। শরীরে কোলাজেন বুস্ট করতে এধরনের খাবারের কোনো বিকল্প নেই।

Antioxidants

অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস বডির ফ্রি র‍্যাডিক্যাল রিমুভ করে। ফ্রি র‍্যাডিক্যাল বডির জন্য অনেক ক্ষতিকর। স্কিনে প্রিম্যাচিউর এজিং বেড়ে যায়। Blueberries, green tea, licorice extract, mulberry extract, pomegranate extract, coffee extract, cinnamon, basil, oregano, thyme essential oils, red bell peppers, broccoli, oranges, herbs, nuts এবং seeds এ প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি অক্সিড্যান্টস রয়েছে। তাই চেষ্টা করতে হবে খাদ্যতালিকায় এই খাবার গুলো রাখার। এতে শরীরের ভেতরে কোলাজেন বুস্ট হবে আর স্কিন থাকবে ভেতর থেকে সফট ও গ্লোয়িং।

পাশাপাশি আরো যা করা যায়

অনেকেই retinol ইউজ করে থাকেন অ্যান্টি এজিং ইনগ্রেডিয়েন্ট হিসেবে। এতে স্কিনের একনে কন্ট্রোল হয়, কোলাজেন প্রোডাকশন বেড়ে যায়। তবে বিগিনার হিসেবে ইউজ করলে পার্জিং হতে পারে তাই 0.2 -0.5% পরিমান রেটিনল প্রথম দিকে ইউজ করা ভালো।

কোলাজেন সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও নেয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের ড্রাগস্টোর ও সুপারশপ গুলোতে কোলাজেন ট্যাবলেট পাওয়া যায়। তবে ডার্মাটোলজিস্ট এর পরামর্শ ছাড়া এসব সাপ্লিমেন্ট না নেওয়াই ভালো।

আরো একটি বিষয় যেটা সবথেকে জরুরী তা হলো স্কিনকে UV Rays থেকে দূরে রাখা। তাই SPF 30 অথবা কড়া রোদে SPF 70 যুক্ত সানস্ক্রিন অবশ্যই ইউজ করতে হবে। কারন স্কিনকেয়ারের লাস্ট স্টেপে যেটা সবচেয়ে জরুরী সেটা হলো হাই SPF যুক্ত সানস্ক্রিন।

অন্যদিকে UV Rays স্কিনে কোলাজেন প্রোডাকশন কমিয়ে দেয়। এতে স্কিনে রিংকেলস ফাইন লাইনস দেখা দেয়। স্কিনের চামড়া কুঁচকে যায়।

তাই হেলদি ডায়েট এর পাশাপাশি নিয়মিত প্রপার স্কিনকেয়ার ও সাথে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।ীতে করে স্কিন ও হেলথ দুটোই ভালো থাকবে।

Reference

0 I like it
0 I don't like it

Leave a Reply

You must be logged in to post a comment.